Live

পুরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুঅভ্যাসগুলি নিয়ে ‘ওয়েস্ট-ওয়াইস সিটিস’ শীর্ষক প্রকাশনা

নীতি আয়োগ এবং সিএসই-র পুরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুঅভ্যাসগুলি নিয়ে ‘ওয়েস্ট-ওয়াইস সিটিস’ শীর্ষক প্রকাশনা

///
89147 views
7 mins read

নীতি আয়োগ এবং সিএসই-র পুরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুঅভ্যাসগুলি নিয়ে ‘ওয়েস্ট-ওয়াইস সিটিস’ শীর্ষক প্রকাশনা

ভারতের শহরগুলি কিভাবে তাদের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করে থাকে, সে বিষয়ে একটি সর্বাঙ্গীণ তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হয়েছে। ‘ওয়েস্ট-ওয়াইস সিটিস’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা ৬ই ডিসেম্বর নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারপার্সন ডঃ রাজীব কুমার, মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অমিতাভ কান্ত, বিশেষ সচিব কে রাজেশ্বর রাও এবং সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভাইরনমেন্ট (সিএসই) – এর মহানির্দেশক সুনীতা নারায়ণ প্রকাশ করেছেন।
দ্বিতীয় পর্বের স্বচ্ছ ভারত অভিযানে দেশকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য সম্প্রতি যে সমস্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এই পুস্তিকায় ১৫টি রাজ্যের ২৮টি শহরের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। নীতি আয়োগ এবং সিএসই দেশ জুড়ে জুলাই থেকে পাঁচ মাস ধরে যে সমীক্ষা চালিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করেই প্রতিবেদনগুলি তৈরি করা হয়। মূলত, ১০টি বিষয় বিবেচনা করে সংকলনটি তৈরি করা হয়। এর মধ্যে উৎসে পৃথকীকরণ, বিভিন্ন পদার্থের পুনর্ব্যবহার এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারপার্সন ড রাজীব কুমার বলেছেন, ভারতের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ নগরায়নের মধ্যে নিহিত আছে। আর্থিক বিকাশ এবং শহরগুলিতে সফলভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তবায়ন তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরগুলিও নানা সঠিক প্রয়াস কাজে লাগাচ্ছে। পুরসভাগুলি শূন্য বর্জ্য জনপদ গড়ে তোলার উদ্যোগকে সফল করে তুলতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে, বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে।
নীতি আয়োগের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রী অমিতাভ কান্ত বলেছেন, বর্জ্যের উৎসে পৃথকীকরণ এবং বৃত্তীয় অর্থনীতি অনুসরণে উৎসাহিত করার প্রয়োজন রয়েছে। নীতি আয়োগের বিশেষ সচিব ডঃ কে রাজেশ্বর রাও জানান, আচরণগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সঠিক প্রয়াস গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, বর্জ্য বহনকারী গাড়িগুলি কোথায় আছে, তা জানার জন্য জিআইএস ট্র্যাকিং-এর মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে, শহর আরও পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠছে। সিএসই-র মহানির্দেশক শ্রীমতী নারায়ণ বলেন, বর্জ্য পদার্থের উৎস পৃথকীকরণ, বিভিন্ন সামগ্রীর পুনর্ব্যবহার এবং জঞ্জাল মুক্ত করার বিভিন্ন উদ্যোগ স্বচ্ছ ভারত মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
দেশের বিভিন্ন শহরে সঠিক প্রয়াসগুলি প্রচার করতে নীতি আয়োগ এবং সিএসসি যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি দেখতে চাইলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!