সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে কার্যকরি মূল্য নির্ধারণ করে চলেছে বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি-র

সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে কার্যকরি মূল্য নির্ধারণ করে চলেছে বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি-র

//
48 views
9 mins read

বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি-র জন্য সরকার আন্তর্জাতিক দামের বৃদ্ধি থেকে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে কার্যকরি মূল্য নির্ধারণ করে চলেছে

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী শ্রী রামেশ্বর তেলি আজ রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে জানিয়েছেন যে, দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত। তবে, বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি-র জন্য সরকার আন্তর্জাতিক দামের বৃদ্ধি থেকে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে কার্যকরি মূল্য নির্ধারণ করে চলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি/হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যের উপর ভর্তুকি বাড়ে/কমে এবং ভর্তুকির ক্ষেত্রে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। বাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ভর্তুকি হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২৪ হাজার ১৭২ কোটি এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ১১১ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ডিজেলের দাম বাজারের উপর নির্ভরশীল। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থা আন্তর্জাতিক পণ্যের দাম, আমদানি-রপ্তানি হার, অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহণ, কর কাঠামো এবং অন্যান্য খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে ডিজেলের মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

কেন্দ্রীয় সরকার চলতি বছরের ৪ নভেম্বর থেকে ডিজেলের উপর কেন্দ্রীয় শুল্ক প্রতি লিটারে ১০ টাকা করে কমিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্যই হ’ল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং খরচ কমানো ও মুদ্রাস্ফীতি কম রাখা। এতে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা উপকৃত হবেন। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ডিজেলের উপর ভ্যাট কমিয়েছে।


 

Leave a Reply

Your email address will not be published.